1. admin@bhorerkhariya.com : Admin :
  2. bhorerkharia@gmail.com : admin : admin
  3. mainulislammohin65@gmail.com : Cumilla News : মোঃ মাইনুল ইসলাম মহিন
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন

সাফ জয়ী দলে এক গ্রামের ৬ খেলোয়াড়,  আনন্দে ভাসছে ধোবাউড়ার কলসিন্দুর

রিপোর্টার
  • পোষ্ট হয়েছে বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৫৪ বার দেখেছে
  • ই-পেপার দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দ্বিতীয়বারের মতো নারী সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। আর এই দলের ছয় খেলোয়াড়ই ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার কলসিন্দুর গ্রামের। এ কারণে দেশের অন্যান্য এলাকার চেয়ে কলসিন্দুরবাসীর আনন্দের মাত্রাটা বেশি। এমন অর্জনে গর্বিত পুরো গ্রামবাসী। এলাকা জুড়ে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। সেই আমেজ যেন ছাড়িয়ে গেছে উপজেলার সর্বত্রই। তারা এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন বীরকন্যাদের বরণ করবার জন্য।

এই মেয়েদের বদৌলতেই প্রত্যন্ত অঞ্চলের কলসিন্দুর গ্রামটির নাম এখন সারাদেশের মানুষের মুখে মুখে। জেলা শহর ময়মনসিংহ থেকে ৬৫ কিলোমিটার উত্তরে ভারতের মেঘালয় রাজ্যঘেঁষা ধোবাউড়া উপজেলার এই গ্রাম। মুসলমান, হিন্দুদের পাশাপাশি এ গ্রামে বসবাস করেন আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ।

কলসিন্দুর নারী ফুটবল টিমের কোচ জুয়েল সরকার বলেন, নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের শিরোপা জিতেছেন বাংলাদেশের মেয়েরা। এই দলের ছয়জনই কলসিন্দুর গ্রামের। সানজিদা আক্তার, মারিয়া মান্দা, শিউলি আজিম, তহুরা খাতুন, শামসুন্নহার সিনিয়র, শামসুন্নাহার জুনিয়র- তাদের অর্জনে আজ জাতি গর্বিত।

মেয়েদের খেলা ঘিরে গত বুধবার পুরো উপজেলায় বিকাল থেকে টেলিভিশন এবং মোবাইলের দিকে নজর ছিল সব বয়সী মানুষের। বাড়িঘরের পাশাপাশি হাটবাজার ও দোকানপাটে টিভির সামনে ছিল ভিড়। মেয়েদের জয় প্রত্যন্ত অঞ্চলের এই মানুষের সবচেয়ে বড় পাওয়া বলছেন তারা।

সাফজয়ী ফুটবল দলের সদস্য সানজিদা আক্তারের বাবা লিয়াকত আলী বলেন, দ্বিতীয়বারের মতো নেপালকে হারিয়ে বাংলাদেশ জেতার পর বাবা হিসেবে এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কী হতে পারে। একটা সময় মেয়ে খেলাধুলা করায় মানুষ বিরূপ মন্তব্য করলেও এখন সবার মুখে মুখে

সানজিদার প্রশংসা- এমন কথা জানিয়ে গর্বিত এই বাবা আরও বলেন, মেয়ের জন্য আজ আমাদের মুখ উজ্জ্বল হয়েছে। এলাকার অনেক নারী ফুটবলার সানিজদাকে অনুকরণ করে। সব জায়গাতেই আমাদের মূল্যায়ন বেড়েছে, তা আগে বুঝতাম না।

তহুরার বাবা ফিরোজ মিয়া জানান, জয়ের খবর পেয়ে গর্ববোধ করছি। এরই সঙ্গে সময়ের অপেক্ষাই আছি। তিনি আরও বলেন, মেয়েরা জিতেছে আমাদের এলাকার লোকজন একে অন্যকে মিষ্টিমুখ করাচ্ছে। গ্রামে অনেক সাংবাদিক আসছে খোঁজখবর নিচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আরিফ বলেন, চায়ের স্টলে বসে বাংলাদেশের পুরো খেলা উপভোগ করেছি। মেয়েরা দারুণ খেলে জয়লাভ করেছে। আমাদের আত্মবিশ্বাস ছিল, মেয়েরাই জিতবে। ঠিক তাই হয়েছে। মেয়েদের জেতার কারণে অবহেলিত এলাকার নামটা আবার মানুষের মুখে চলে আসছে। যে মেয়েদের জন্য আজ আমরা গর্বিত হলাম।

ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন খান বলেন, আমাদের মেয়েরা ভালো খেলে জিতেছে। আমরা খুব আনন্দিত।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022 bhorerkhariya.com
Theme Customized BY Themes Seller