1. admin@bhorerkhariya.com : Admin :
  2. bhorerkharia@gmail.com : admin : admin
  3. mainulislammohin65@gmail.com : Cumilla News : মোঃ মাইনুল ইসলাম মহিন
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন

১১ দলীয় ঐক্য অটুট রাখার স্বার্থে ন্যায্যতার ভিত্তিতে আসন সমঝোতা হওয়া প্রয়োজন – খেলাফত মজলিস

রিপোর্টার
  • পোষ্ট হয়েছে বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৯১ বার দেখেছে
  • ই-পেপার দেখুন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় সমঝোতা কেন্দ্রিক উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আজ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার জরুরি এক অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

রাজধানীর একটি মিলনায়তনে বুধবার (১৪ জানুয়ারী)  সকাল ১১ টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত উক্ত অধিবেশনে মজলিসে শুরা সদস্যবৃন্দ ১১ দলীয় সমঝোতা কেন্দ্রিক উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও দলীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে বলেন, জাতির প্রত্যাশা পূরণে ১১ দলীয় ঐক্য অটুট রাখতে হবে। ১১ দলীয় ঐক্য অটুট রাখার স্বার্থে ন্যায্যতার ভিত্তিতে আসন সমঝোতা হওয়া প্রয়োজন।

অধিবেশনে খেলাফত মজলিস নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ইসলামী শক্তির মধ্যে ঐক্য খেলাফত মজলিসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি। এক আসনে একটি ইসলামী দলের প্রার্থী নিয়ে যে নির্বাচনী সমঝোতা বা One Box Policy তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম প্রস্তাব করেছিলেন খেলাফত মজলিস মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের। ২০২৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের উদ্যোগে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সেমিনারে জনাব ড. আহমদ আবদুল কাদের জাতীয় নির্বাচনে ইসলামপন্থীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার তাগিদ দিতে গিয়ে উপরোক্ত প্রস্তাবনা পেশ করেছিলেন।

গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের সকল শক্তির প্রথম ঐক্যবদ্ধ মঞ্চ তৈরি করেছিল খেলাফত মজলিস। ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে খেলাফত মজলিসের সাধারণ পরিষদের দ্বাদশ অধিবেশনে অভ্যুত্থান পরবর্তী সকল পক্ষের নেতৃবৃন্দ সেদিন দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষ ও ফ্যাসিবাদ বিরোধী ঐক্যের ডাক দিয়েছিলেন।

ইতিমধ্যে ইসলামী সমমনা ৫ দল, ৮ দল এবং সর্বশেষ ১১ দলীয় নির্বাচনী সমঝোতার সাথে ঐক্যবদ্ধতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে খেলাফত মজলিস। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, ১১ দলের শরীকদের সাথে সর্বশেষ আলোচনায় খেলাফত মজলিসের অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী ও অঞ্চল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা থেকে থেকে বাদ পড়ে যাচ্ছে, যা শুধু খেলাফত মজলিসের জন্যই নয় জোটের জন্যও ক্ষতির কারণ হতে পারে। উল্লেখ্য সারাদেশে খেলাফত মজলিসের ৭৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। ইতিমধ্যে ৭২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

তারপরও ইসলাম, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের স্বার্থে চলমান ১১ দলীয় নির্বাচনী সমঝোতার সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে সামনে এগিয়ে যাবে খেলাফত মজলিস। তবে তা হবে ইনসাফ ও সম্মানজনক আসন সমঝোতার ভিত্তিতে। সম্ভাবনাময় ও বিজয়ী হয়ে আসার মত আসনসমূহে সম্মানজনক সমঝোতার দাবি রাখে খেলাফত মজলিস। প্রতিটি বিভাগে খেলাফত মজলিসের জন্য ন্যূনতম প্রতিনিধিত্বের স্বার্থে আসন সমঝোতা ইনসাফের দাবি।

খেলাফত মজলিস শুরা সদস্যবৃন্দ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমাবণতিতে সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও তার প্রশাসন কাযর্ত কোন কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারছে না। সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে মাঠে রাখা হলেও আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি ঘটছে না। ৫ আগস্ট পরবর্তি লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়নি। অপরাধীদের উপর গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি হয়নি। অন্যদিকে নির্বাচনী লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখনো প্রস্তুত নয়। পেশীশক্তির রাজনীতি ও কালো টাকার প্রভাবে রাজনৈতিক সহিংসতায় হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে। এমতাবস্থায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের উপযুক্ত ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োগ করতে হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হওয়ার জন্য প্রশাসনকে সকলে সর্বোতভাবে সহযোগীতা করতে হবে।

রাজধানীর শাহজাহানপুরস্থ একটি হলে আজ সকাল ১১ টায় অনুষ্ঠিত খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার জরুরি অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন আমীরে মজলিস মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ। মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরায় উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হেসাইন, অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফরিদ, অধ্যাপক সিরাজুল হক, মুফতি আবদুল হামিদ, যুগ্ম-মহাসচিব এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, এবিএম সিরাজুল মামুন, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক মো: আবদুল জলিল, ডাঃ এ এ তাওসিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, মাওলানা সামছুজ্জামান চৌধুরী, মাস্টার আবদুল মজিদ, অধ্যাপক মাওলানা এ এস এম খুরশীদ আলম, অধ্যাপক একেএম মাহবুব আলম, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুর রহমান ফিরোজ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক মাওলানা আবু সালমান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মো: জহিরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক প্রভাষক আবদুল করিম, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রিফাত হোসেন মালিক, দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক: মুফতি শিহাবুদ্দীন, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট হাফেজ মাওলানা শায়খুল ইসলাম, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ ড. মাহবুবুর রহমান সহ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্যবৃন্দ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022 bhorerkhariya.com
Theme Customized BY Themes Seller